জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য

জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য

জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য

জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য
জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য

জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়। জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য, জমজম শব্দের অর্থ কি, জমজমের পানির দাম, জমজমের পানি খাওয়ার নিয়ম, জমজমের পানি খাওয়ার নিয়ম দোয়া, জমজম কূপ নিয়ে হাদিস

জমজম শব্দের অর্থ কি

জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়, অব্যয় পদ/ সমারোগসূচক অনুকার/সরগরম হইয়া উঠার ভাব/বিশেষ্য পদ/ মক্কার প্রসিদ্ধ রূজমজম কুয়া (আরবি: زمزم‎‎) হল মক্কায় মসজিদুল হারামের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি কুয়া। মসজিদুল হারামে আগত লোকেরা এখান থেকে পানি পান করে।

জমজম কূপের বৈজ্ঞানিক রহস্য

জমজম কূপের পানি মাটি থেকে প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে। সেখান থেকে শক্তিশালী মোটরের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৮ হাজার লিটার হারে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পানি উত্তোলন করা হয়। আর তখন পানির স্তর নেমে যায় ৪৪ ফুট নিচে। কিন্তু পানি উঠানো বন্ধের মাত্র ১১ মিনিটে আবার পানির লেভেল চলে আসে ১৩ ফুটে।

জমজমের পানির দাম

পাঁচ লিটার জমজমের এক বোতল পানি নিতে ৫ দশমিক ৫ রিয়াল খরচ করতে হবে। ১৫ দিন পরপর প্রতি জন সর্বোচ্চ চার বোতল পানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

জমজমের পানি খাওয়ার নিয়ম

হজরত আবু জর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জমজমের পানি বরকতময় ও স্বাদ অন্বেষণকারীর খাদ্য। জমজমের পানি যে উদ্দেশ্য নিয়ে পান করবে তা পূরণ হবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৪৭৩)

জমজমের পানি পানের কিছু আদব ও নিয়ম উল্লেখ করেছেন।
জমজম পানি পুরো পুরি ভাবে পরিতৃপ্ত হয়ে পান করা। যেমন- কিবলামুখী হওয়া, বিসমিল্লাহ বলা, তিন শ্বাসে পান করা, পরিতৃপ্ত হওয়া, শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা ইত্যাদি। জমজমের পানি ইবাদত মনে করে পান করা। জমজমের পানি পান করার সময় একটি বড় কাজ হলো দোয়া করা।

জমজমের পানি খাওয়ার নিয়ম দোয়া

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ই’লমান নাফিআ’ ‘ওয়া রিযক্বান ওয়াসিআ’ ‘ওয়া আ’মালান সালিহা’ ‘ওয়া শিফাআম মিং কুল্লি দা-য়িন’।

অর্থ : হে আল্লাহ আপনি আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন। আমাদের রিযিকে বরকত দিয়ে দিন. আমাদের নেক কাজ করার তাওফিক দান করুন। সকল অসুস্থতাতে শেফা বা সুস্থতা দান করুন।

জমজম কূপ নিয়ে হাদিস

ইসলামের ইতিহাসে জমজম কুপের উৎপত্তি নিয়ে বর্ণনা রয়েছে। নবী ইবরাহিম (আ) তার দ্বিতীয় স্ত্রী হাজেরা (আ) ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ) কে আল্লাহর আদেশে মক্কার বিরান মরুভূমিতে রেখে আসেন। তার রেখে যাওয়া খাদ্য পানীয় শেষ হয়ে গেলে হাজেরা (আ) পানির সন্ধানে পার্শ্ববর্তী সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাতবার ছোটাছুটি করেছিলেন।

এসময় জিবরাঈল (আ) এর পায়ের আঘাতে মাটি ফেটে পানির ধারা বেরিয়ে আসে। ফিরে এসে এই দৃশ্য দেখে হাজেরা (আ) পাথর দিয়ে পানির ধারা আবদ্ধ করলে তা কুপের রূপ নেয়।

এসময় হাজেরা (আ) উদগত পানির ধারাকে জমজম তথা থামো বলায় এর নাম জমজম হয়েছে। তখন থেকে জমজম কূপ কিভাবে সৃষ্টি হয়. পরবর্তীতে নবী ইবরাহিম (আ) এর পাশে কাবা পুনঃনির্মাণ করেন।

১. পূর্বে আদম (আ) এর সময় এটি নির্মিত হলেও পরবর্তীকালে বিনষ্ট হয়ে গিয়েছিল। মুসলিমরা নামাজ পড়ার সময় কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ায়। জমজম কুয়া কাবা থেকে প্রায় ২০ মি (৬৬ ফুট) দূরে।

জমজম কুয়া বেশ কয়েকবার সংস্কার করা হয়। প্রথম থেকে এটি বালি ও পাথর দিয়ে ঘেরা অবস্থায় ছিল। পরবর্তীতে খলিফা আল মনসুরের সময় ৭৭১ (১৫৪/১৫৫ AH)

২. সালে এর উপর গম্বুজ এবং মার্বেল টাইলস বসানো হয়। পরবর্তীতে খলিফা আল মাহদি এটি আরো সংস্কার করেন। সর্বশেষ ২০১৭-২০১৮ সালে সৌদি বাদশাহ সংস্কার করেন

৩. বর্তমানে কুয়া কাবা চত্বরে দেখা যায় না। এটি ভূগর্ভস্থ অবস্থায় রাখা হয়েছে এবং এখানে থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি উত্তোলন করা হয়। মসজিদুল হারামের বিভিন্ন স্থানে তা সরবরাহ করা হয়।বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ জমজমের পূর্ব ও দক্ষিণে পানি পান করানোর জন্য দুটি স্থান নির্মাণ করেন।

(তথ্যসূত্র প্রয়োজন) দক্ষিণ দিকে ৬টি এবং পূর্বদিকে ৩টি ট্যাপ লাগানো হয়। বর্তমানে কাবা ঘরের ২০ মিটার দূরে অবস্থিত এই কূপটি থেকে পাম্পের সাহায্যে প্রতিদিন ২০ লক্ষাধিক ব্যারেল পানি উত্তলিত হয়। এই কূপের পানি বণ্টনের জন্য ১৪০৩ হিজরিতে সৌদি বাদশাহের এক রাজকীয় ফরমান অনুযায়ী হজ মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ইউনিফাইড ‘জামাজেমা দফতর’ গঠিত হয়।

এই দফতরে একজন প্রেসিডেন্ট ও একজন ভাইস প্রেসিডেন্টসহ মোট ১১ জন সদস্য ও ৫ শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন।(তথ্যসূত্র প্রয়োজন) বাদশাহ আব্দুল্লাহ জমজম পানি কমপ্লেক্সটি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে ৭০০ মিলিয়ন রিয়াল ব্যয়ে মক্কাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা প্রতিদিন ২০০,০০০ বোতল পানি সরবরাহ করতে পারে

জম জম কুপের পানি খাওয়ার নিয়ম।জমজমের পানি সম্পর্কে হাদিস

ইসলামের বিধান অনুযায়ী পানি উপবিষ্ট অবস্থায় পান করতে হয়। কিন্তু জমজমের পানি দাঁড়িয়ে পানের বিধান রয়েছে। একজন মুসলিম জমজমের পানি পান করার সময় কিবলার দিকে মুখ করে দাঁড়াবেন এবং আল্লাহ’র নাম নিয়ে তিন ঢোকে জমজমের পানি পান করবেন।ইবনু ‘আব্বাস থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে জমজম হতে পানি পান করেছেন। হজ্জে গেলে মানুষ জমজমের পানি সাথে নিয়ে আসে। এটি মুসলমানদের জন্য প্রবিত্র মনে করা হয়

নফসের ধোকা থেকে বাচার উপায়
স্বামীকে বশ করার সহজ উপায় দোয়া ও তাবিজ মন্ত্র

সবচেয়ে সুন্দর ইসলামিক নাম | সবচেয়ে সুন্দর নাম ছেলেদের

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *